বাংলাদেশের সরকারি কর্মচারীদের বহুল আলোচিত নতুন পে স্কেল ২০২৬ এখন বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একই জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখা জরুরি—পে কমিশনের সুপারিশ এবং চূড়ান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন এক বিষয় নয়। তাই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রস্তাবিত বেতনকে এখনই চূড়ান্ত বেতন তালিকা হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
নতুন পে স্কেল ২০২৬ কী?
নতুন পে স্কেল বলতে মূলত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন, গ্রেড, ভাতা এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক সুবিধার নতুন কাঠামো বোঝানো হচ্ছে। বর্তমানে সরকারি কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ ব্যবহৃত হচ্ছে। অর্থ বিভাগের সরকারি তথ্যেও জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর উল্লেখ রয়েছে।
নবম জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার সুপারিশ জমা দেয়। প্রস্তাবিত কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুপারিশ
নতুন পে স্কেল বেতন: প্রস্তাবে কত টাকা?
প্রকাশিত পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে—
- ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন: ২০,০০০ টাকা
- বর্তমান ২০তম গ্রেডের মূল বেতন: ৮,২৫০ টাকা
- ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,৬০,০০০ টাকা
- বর্তমান ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন: ৭৮,০০০ টাকা
অর্থাৎ প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
তবে এগুলোকে চূড়ান্ত নতুন পে স্কেল বেতন বলা যাবে না, যতক্ষণ না সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
নতুন বেতন কাঠামো (বর্তমান বনাম প্রস্তাবিত মূল বেতন)
| গ্রেড | বর্তমান মূল বেতন (২০১৫ পে স্কেল) | প্রস্তাবিত নতুন মূল বেতন (২০২৬) |
| গ্রেড ১ | ৭৮,০০০ (নির্ধারিত) | ১,৬০,০০০ টাকা |
| গ্রেড ২ | ৬৬,০০০ – ৭৬,৪৯০ টাকা | ১,৩২,০০০ টাকা |
| গ্রেড ৩ | ৫৬, ৫০০ – ৭৪,৮০০ টাকা | ১,১৩,০০০ টাকা |
| গ্রেড ৪ | ৫০,০০০ – ৭১,২০০ টাকা | ১,০০,০০০ টাকা |
| গ্রেড ৫ | ৪৩,০০০ – ৬৯,৮৫০ টাকা | ৮৬,০০০ টাকা |
| গ্রেড ৬ | ৩৫, ৫০০ – ৬৭,০১০ টাকা | ৭১,০০০ টাকা |
| গ্রেড ৭ | ২৯,০০০ – ৬৩,৪১০ টাকা | ৫৮,০০০ টাকা |
| গ্রেড ৮ | ২৩,০০০ – ৫৫,৪৯০ টাকা | ৪৭,২০০ টাকা |
| গ্রেড ৯ | ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা | ৪৫,১০০ টাকা |
| গ্রেড ১০ | ১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০ টাকা | ৩২,০০০ টাকা |
| গ্রেড ১১ | ১২, ৫০০ – ৩০,২৩০ টাকা | ২৫,০০০ টাকা |
| গ্রেড ১২ | ১১,৩০০ – ২৭,০০০ টাকা | ২৪,৩০০ টাকা |
| গ্রেড ১৩ | ১১,০০০ – ২৬,৫৯০ টাকা | ২৪,০০০ টাকা |
| গ্রেড ১৪ | ১০,২০০ – ২৪,৬৮০ টাকা | ২৩,৫০০ টাকা |
| গ্রেড ১৫ | ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা | ২২,৮০০ টাকা |
| গ্রেড ১৬ | ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা | ২১,৯০০ টাকা |
| গ্রেড ১৭ | ৯,০০০ – ২১,৮০০ টাকা | ২১,৪০০ টাকা |
| গ্রেড ১৮ | ৮,৮০০ – ২১,৩১০ টাকা | ২১,০০০ টাকা |
| গ্রেড ১৯ | ৮,৫০০ – ২০,৫৭০ টাকা | ২০, ৫০০ টাকা |
| গ্রেড ২০ | ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা | ২০,০০০ টাকা |
নতুন পে স্কেল ২০২৬: সংক্ষেপে যা জানা যাচ্ছে
| বিষয় | বর্তমান তথ্য |
|---|---|
| পে স্কেল | নবম জাতীয় পে স্কেল |
| বর্তমান বেতন কাঠামো | জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ |
| কমিশনের রিপোর্ট | ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জমা |
| প্রস্তাবিত সর্বনিম্ন মূল বেতন | ২০,০০০ টাকা |
| প্রস্তাবিত সর্বোচ্চ মূল বেতন | ১,৬০,০০০ টাকা |
| প্রস্তাবিত বাস্তবায়ন | ধাপে ধাপে |
| ঘোষিত শুরু | ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণা |
| চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন | সর্বশেষ প্রতিবেদনে এখনও অপেক্ষমাণ |
| সম্ভাব্য অতিরিক্ত ব্যয় | প্রায় ১.০৬ লাখ কোটি টাকা |
সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেলে বেতন কত বাড়তে পারে?
পে কমিশনের সুপারিশে গড়ে প্রায় ১০৫ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির কথা উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রায় ১৪০ শতাংশ এবং ১ম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রায় ৮০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশের কথা বলা হয়েছে।
আরেকটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রেডে মূল বেতন সর্বোচ্চ প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মূল বেতন বৃদ্ধি আর হাতে পাওয়া মোট বেতন একই জিনিস নয়। বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, উৎসব ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধার হিসাব আলাদা হওয়ায় একজন কর্মচারীর মোট বেতন কত হবে তা চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন ছাড়া নির্ভুলভাবে বলা সম্ভব নয়।
নতুন কিছু : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ২০২৬: নিয়োগ, উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও আবেদন
নতুন পে স্কেল ২০২৬ তালিকা: কোন গ্রেডে কত বেতন?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নতুন পে স্কেলের পূর্ণ গ্রেডভিত্তিক তালিকা হিসেবে বিভিন্ন সংখ্যা ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু সরকারি চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন ছাড়া সেসব তালিকাকে নিশ্চিত সরকারি তালিকা হিসেবে প্রকাশ করা ঝুঁকিপূর্ণ।
বর্তমান সরকারি বেতন নির্ধারণের ব্যবস্থা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর সঙ্গে যুক্ত এবং সরকারি iBAS ব্যবস্থায় কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। I
তাই নতুন পে স্কেলের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত গ্রেডভিত্তিক বেতন তালিকা প্রকাশের জন্য সরকারি প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষা করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
নতুন পে স্কেলে গ্রেড কমছে নাকি বাড়ছে?
নতুন পে স্কেল নিয়ে আলোচনায় গ্রেডের সংখ্যা পরিবর্তনের বিষয়টিও এসেছে। ২০২৫ সালের আলোচনায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ৮:১ থেকে ১০:১-এর মধ্যে রাখার পরিকল্পনার কথা প্রকাশিত হয়েছিল, এমনকি গ্রেডের সংখ্যা কমলেও এই অনুপাত বজায় রাখার কথা বলা হয়।
তবে চূড়ান্তভাবে কতটি গ্রেড থাকবে, কোন পদ কোন গ্রেডে থাকবে এবং কোন গ্রেডের বেতন কত হবে—এসব বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি হবে।
অতএব, “গ্রেড কমবেই” বা “গ্রেড বাড়বেই”—এ ধরনের নিশ্চিত দাবি এখনই করা উচিত নয়।
নতুন পে স্কেল কবে থেকে কার্যকর হবে?
এটি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। B
পরবর্তী প্রতিবেদনে তিন ধাপে বাস্তবায়নের একটি পরিকল্পনার কথা উঠে আসে। সেখানে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সংশোধিত মূল বেতনের একটি অংশ, পরবর্তী অর্থবছরে বাকি অংশ এবং তৃতীয় পর্যায়ে ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছিল।
তবে আগস্ট ২০২৬-এর সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী, চূড়ান্ত অনুমোদন ও প্রজ্ঞাপন নিয়ে এখনও অপেক্ষা রয়েছে। তাই ১ জুলাই ২০২৬ ঘোষিত কার্যকর তারিখ এবং বাস্তবে বেতন নির্ধারণ/পরিশোধের সময়সূচি এক জিনিস নয়। চূড়ান্ত সরকারি আদেশ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে দেখা উচিত। D
নতুন পে স্কেলের বেতন কাঠামো কেমন হতে পারে?
প্রস্তাবিত কাঠামোর অন্যতম লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেতনকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনামূলক বেশি সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায়—
- নিম্ন গ্রেডে তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধি হতে পারে।
- উচ্চ গ্রেডে বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হতে পারে।
- মূল বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা পুনর্নির্ধারণের বিষয় রয়েছে।
- পেনশনভোগীদের সুবিধা বাড়ানোর সুপারিশও রয়েছে।
- কিছু পেশাজীবী শ্রেণির জন্য বিশেষ ভাতার প্রস্তাব রয়েছে।
ভাতা কি বাড়বে?
শুধু মূল বেতন নয়, নতুন পে স্কেলের সঙ্গে ভাতার পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ। প্রকাশিত সুপারিশ ও সরকারি পর্যায়ের আলোচনায় চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি এসেছে। পেনশনভোগীদের চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ও আলোচিত হয়েছে।
তবে কোন ভাতা কত টাকা হবে এবং কোন তারিখ থেকে কার্যকর হবে—এ বিষয়ে চূড়ান্ত সরকারি আদেশ না আসা পর্যন্ত নির্দিষ্ট অঙ্ককে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে ধরা উচিত নয়।
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে কত টাকা লাগবে?
পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হবে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে সক্রিয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রায় ১.০৬ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের হিসাব উল্লেখ করা হয়েছে। পেনশনভোগীদের জন্যও অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হতে পারে।
এই বিশাল আর্থিক ব্যয়ের কারণে একবারে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আলোচনায় এসেছে।
কেন নতুন পে স্কেল নিয়ে এত আলোচনা?
২০১৫ সালের বেতন কাঠামোর পর দীর্ঘ সময় ধরে নতুন জাতীয় পে স্কেল না আসায় সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর দাবি জোরালো হয়েছে। একই সময়ে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে।
সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠনও নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে কর্মসূচি করেছে।
নতুন পে স্কেল নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
বর্তমানে অনলাইনে “নতুন পে স্কেল ২০২৬ তালিকা”, “নতুন বেতন গ্রেড”, “কত টাকা বেতন হবে” ইত্যাদি শিরোনামে অনেক তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। পাঠকদের মনে রাখা উচিত—
পে কমিশনের সুপারিশ = চূড়ান্ত সরকারি বেতন স্কেল নয়।
চূড়ান্ত বেতন, গ্রেড, ভাতা, কার্যকর তারিখ এবং বেতন নির্ধারণের নিয়ম জানতে অর্থ বিভাগের সরকারি প্রজ্ঞাপন বা সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ অনুসরণ করতে হবে। অর্থ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রজ্ঞাপন ও সার্কুলারের আলাদা বিভাগ রয়েছে।
উপসংহার
নতুন পে স্কেল ২০২৬ বাংলাদেশের সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বেতন সংস্কার উদ্যোগ। পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনামূলক বেশি সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
তবে বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত ও প্রজ্ঞাপন। প্রস্তাবিত ২০,০০০ থেকে ১,৬০,০০০ টাকার বেতন কাঠামো, গ্রেড পরিবর্তন, ভাতা বৃদ্ধি এবং ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণা—এসবকে প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা উচিত; চূড়ান্ত বেতন স্লিপ বা বেতন নির্ধারণের ভিত্তি হিসেবে নয়।
সর্বশেষ ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য অর্থ বিভাগের সরকারি প্রজ্ঞাপন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ। সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান বেতন নির্ধারণের অনলাইন ব্যবস্থাও iBAS-এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।


